বাংলাদেশে ড্রোন ও সৌর শক্তির ব্যবহার! - ফিনটেক বাংলা
You are here
Home > টেক বার্তা > বাংলাদেশে ড্রোন ও সৌর শক্তির ব্যবহার!

বাংলাদেশে ড্রোন ও সৌর শক্তির ব্যবহার!

 

ছবি: প্যাসকেল ডেলোচি/গেটি ইমেজেস

ত এক বছরে বাংলাদেশে প্রযুক্তির দিক থেকে অনেকটাই পরিবর্তন এসেছে যা বাইরের দেশগুলোর সাথে পার্থক্য কমিয়ে দিয়েছে। আর সৌর শক্তির ব্যবহার যেমন অনেক আগে থেকেই চলে আসছে তেমনি আধুনিক যুগের অন্যতম উদাহরণ ড্রোন।

দক্ষিণাঞ্চলে সৌর শক্তি

যেহেতু প্রযুক্তি প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল, ক্রমেই আসছে নতুন নতুন উদ্ভাবনের প্রচেষ্টা। একটা প্রযুক্তি জীবনকে পর্যন্ত পরিবর্তন করে দিতে পারে যেমনটা হয়েছে বাংলাদেশের দক্ষিণের জেলায় প্রত্যন্ত উপকূলীয় এলাকায়। শুধুমাত্র সৌর শক্তির বিবাহর বড়সড় পরিবর্তন এনে দিয়েছে সেখানকার জেলেদের জীবনে।

কিছুদিন আগেও কূপের বাতি ছিল ইলিশ শিকারের মৎস্যজীবীদের ভরসা। কিন্তু এখন যেমন তাদের নৌকায় আলো চলে এসেছে তেমনি তাদের মোবাইলের চার্জসহ প্রয়োজনীয় অনেক কিছুই হয়ে যাচ্ছে স্বল্প মূল্যে সৌর শক্তির ব্যাবহারে। সবচেয়ে বড় কথা কোনো দুর্যোগে বা বাতাসে আলো নিভে যাওয়ার ভয় একেবারেই নেই।

দেশে ড্রোনের ব্যবহার

দেশের অধিকাংশ জায়গায় নদী মৃতপ্রায় হয়ে পড়েছে আর হ্রদগুলো যেন হয়ে দাঁড়িয়েছে মশার আস্তানা। আর এরকম কিছু জায়গায় মশার উপদ্রপ কমাতে ঔষধ ছিটানোটাও বেশ দুরহ।

আর এই ক্ষেত্রেও সমাধান নিয়ে এসেছে প্রযুক্তি। প্রথমবারের মতো ঢাকায় লার্ভা সাইডে দেখা গেলো ড্রোনের ব্যবহার। ঢাকার উত্তর সিটি কর্পোরেশন বলছে, এই পরীক্ষামূলক ড্রোন ব্যবহারের লক্ষ্য হলো মশক নিধন যেখানে মানুষ কিংবা গাড়ি যেতে পারে না যেমন খাল, লেক বা অন্যান্য জলাশয়ের মাঝে এই পদ্ধতি কতটা কাজে আসে সেটা দেখার জন্য পরীক্ষামূলক ড্রোনের ব্যবহার করা।

ছবি: ড্রোন ব্যবহার করে ছবিটি তোলা হয়েছে/সংগৃহীত

অন্যদিকে, ড্রোন ব্যবহার করে দারুন এক কর্মযজ্ঞ শেষ হলো বগুড়াতে। বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ধানগাছ দিয়ে তার প্রতিকৃতি তৈরী করার প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। জমিতে অসংখ্য লোক কাজ করলেও প্রতি মুহূর্তে এর অগ্রগতি বুঝতে নজর রাখতে হয় আকাশ থেকে। তাই ড্রোনের সাহায্য নিতেই হয়।

এক্সপ্রেসিভ কমিউনিকেশনসের প্রধান নির্বাহী আহমেদ জামান বলেন, “আমরা যখন ফিল্ডে যাই, তখন যেই টেকনিকগুলো দরকার সেগুলো একেবারেই কাজ করেছিল না। তখন নতুন ভাবনা আনতে গিয়েই মাথায় অন্য একটা পরিকল্পনা এলো। প্রথমে আমরা যেই লাইনগুলো ছিল সেগুলো পয়েন্ট করে ফেলেছি। এবং ছোট ছোট লাইনগুলোর সাথে যেই কানেকটিং পয়েন্ট আছে সেই পয়েন্টগুলোকে আমরা বের করেছি।”

তিনি আরো বলেন, “৯৫০ টার মতো পয়েন্ট সেখান থেকে বের হয়েছে, সেটার জন্য যা যা দরকার এবং প্রযুক্তিগত কি কি প্রয়োজন সেগুলো আমরা করেছি সফটওয়্যারের মাধ্যমে। আসলে পয়েন্ট গুলো বের করার পর পুরো ছবিটা দাঁড় করানো গেছে। আর তাই পুরোটা বোঝার জন্য দুটো ড্রোন আমরা সার্বক্ষণিক ব্যবহার করেছি।”

মন্তব্য করুন

Top