২০১৮ সালের সেরা পাঁচ ভিন্নধারার প্রযুক্তি - ফিনটেক বাংলা
You are here
Home > টেক বার্তা > গ্যাজেটস > ২০১৮ সালের সেরা পাঁচ ভিন্নধারার প্রযুক্তি

২০১৮ সালের সেরা পাঁচ ভিন্নধারার প্রযুক্তি

প্রযুক্তি আবিষ্কারের মূল কারণ হল মানুষের জীবনকে ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে যাওয়া। সময়, পরিস্থিতি ও প্রয়োজনের উপর ভিত্তি করে প্রযুক্তি আবিষ্কার ও সমাদৃত হয়। মানুষের জীবন বর্তমানে এতটা সাবলীল হয়েছে যে আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্সের কদর বেশ বেড়েছে। ২০১৮ সালে বাজারে মুক্তি পাওয়া অনেক প্রযুক্তি আছে যেগুলো অনেকটা ভিন্নধারার কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম  এবং গত একবছরে মানুষ বেশ এমন কিছু নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে।

ড্রোন ব্যবহার করে টিকা বিতরণ

বিশ্বে এই প্রথম ড্রোন সরবরাহকৃত টিকা দেয়ার ঘটনা ঘটল। গত বছরের ডিসেম্বরে ভ্যানুটুতে এক মাস বয়সী একটি শিশুকে বাণিজ্যিক ড্রোন ব্যবহার করে নিয়ে আসা টিকা দেয়া হয়েছে। এতে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ দেশটিতে স্বাস্থ্যসেবায় বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটেছে। জাতিসংঘের শিশু সংস্থা ইউনিসেফ বলেছে, এতে বিচ্ছিন্ন জনপদগুলোতে মানুষের জীবন বাঁচানো সহজ করে দিয়েছে।

নকল বীজ শনাক্ত করতে মোবাইল ফোন

অভাবনীয় হলেও বর্তমানে নিম্নমানের ও জাল বীজ শনাক্ত করতে মোবাইল ফোন প্রযুক্তি সহায়তা করছে। ফসল ঘরে তোলার ক্ষেত্রে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব থেকে বাঁচাতে এ প্রযুক্তি উপকারী হিসেবেই দেখা দিচ্ছে। এতে বীজের ব্যাগের ভেতরে স্টিকার রাখা হয়, যেটিতে একটি কোড নম্বর থাকে। এতে কৃষক দ্রুতই মোবাইলে ওই কোডটি পাঠিয়ে বীজ নকল কিংবা ভালো কিনা তা জানতে পারেন।

প্লাস্টিককে জ্বালানিতে রূপান্তরিত করার যন্ত্র

প্রযুক্তির অন্যতম সার্থকতা হল রি-সাইকেলিং। এই প্রেক্ষাপটে প্লাস্টিকের আবর্জনাকে ডিজেল ও পেট্রলে রূপান্তরিত করতে নতুন এক যন্ত্র আবিষ্কার করা হয়েছে। এতে একদিকে দূষণ নিয়ন্ত্রণে আসবে আর অন্যদিকে উন্নয়নশীল দেশগুলোর বিচ্ছিন্ন জনপদে জ্বালানি সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এ যন্ত্রের নকশা তৈরি করেছেন ফরাসি প্রযুক্তিবিদ স্যামুয়েল লি বিহান। পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখতেই তার এই ভিন্নধর্মী প্রচেষ্টা।

শস্য খাদক পতঙ্গ শনাক্তকরণে অ্যাপ

কৃষিখাতের উন্নতি বাংলাদেশের মত দেশগুলোতে কতটা জরুরি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। শস্যের ক্ষতিকর পতঙ্গ ও রোগ শনাক্ত করতে একটি অ্যাপ ব্যবহার শুরু হয়েছে। মজার ব্যাপার হল অ্যাপটি ফসলে পতঙ্গে আক্রমণের আগাম সতর্কতা দিতে পারে। বিশেষ করে ঝাঁক বেঁধে ফসলে হানা দেয়া সর্বগ্রাসী পতঙ্গ সম্পর্কে পূর্বাভাস দিতে পারে অ্যাপটি।

পাচারকারীদের হাত থেকে শিশুদের রক্ষায় ব্লকচেইন

মানবপাচার রোধে বিশ্বের প্রথম ব্লকচেইনের পরীক্ষামূলক ব্যবহার করা হয়েছে। ২০১৮ সালের মার্চে ব্লকচেইন ব্যবস্থার নকশা করে প্রতিযোগিতায় জয়ী হয়েছে মার্কিন সফটওয়্যার কোম্পানি কনসেনসিস। এই ব্লকচেইনব্যবস্থায় সীমান্ত পাড়ি দেয়ার সময় শিশুদের চোখের স্ক্যান ও হাতের ছাপ নেয়া এবং তাদের বৈধ অভিভাবকের অনুমতি চাওয়া হয়। অনুমতি ছাড়া কোন শিশুকে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হলে তা ডাটাবেসে স্থায়ীভাবে নথিভুক্ত করে রাখা হয়।

মন্তব্য করুন

Top