প্রযুক্তির আশীর্বাদে পরিবর্তনের মুখ দেখতে পারে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলো - ফিনটেক বাংলা
You are here
Home > টেক বার্তা > প্রযুক্তির আশীর্বাদে পরিবর্তনের মুখ দেখতে পারে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলো

প্রযুক্তির আশীর্বাদে পরিবর্তনের মুখ দেখতে পারে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলো

দেশের বাইরে ঘুরতে যাওয়া যতটাই আনন্দদায়ক, বিমানবন্দরে যাত্রার প্রস্তুতি ততটাই বিরক্তিকর। এখানে মূল্যবান সময় নষ্ট হয় বলে এই বিরক্তি আরও প্রখর হয়ে উঠে। কেননা; বিমানবন্দর মানেই চেক-ইন কাউন্টার থেকে শুরু করে বোর্ডিং গেট পর্যন্ত দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা। এই চিত্রগুলো কেবল যাত্রীদের জন্য নয় কর্মীদের জন্যও ক্লান্তিকর। বাড়তি নিরাপত্তা তল্লাসি, কাগজপত্র মেলানো ও সনাক্তকরণ প্রক্রিয়া সবকিছুই সঠিক উপায়ে করতে গুরুত্ব দিতে হয়।

অন্যদিকে দিন দিন বিমানযাত্রীদের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এই বিশাল সংখ্যক যাত্রীর যাত্রাপথের সময় কমাতে এবং কর্মীদের কাজের সুবিদার্থে বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। যদিও এর সংখ্যা খুব বেশি নয় এরপরেও প্রযুক্তির প্রয়োগে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলো বেশ সাবলীলভাবেই পরিবর্তন হবে বলে ধারনা করছে প্রযুক্তিবিদরা।

ফেইশাল রিকগনিশন প্রযুক্তি বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ততম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও চেক-ইনের সময় নেয়া তথ্যের সাথে নিমিষেই মেলানো হচ্ছে ছবি, আঙুলের ছাপ, পাসপোর্ট ও ভিসার তথ্য। সাধারণত নিরাপত্তা বেষ্টনী এবং বোর্ডিং-এর সময় একজন যাত্রীর দুটি ছবি তুলে ম্যাচ টেকনোলজি ব্যবহার করে চেহারার সাথে অন্যান্য উপাত্তগুলোও চেক করে সত্যতা যাচাই করা হয়। এটি সময় ব্যয় কম করে বিমান ছেড়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ১০% উন্নতি করতে সক্ষম হবে। শুধু তাই নয়; কোন যাত্রী গেলে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাকে খুঁজে বের করা সম্ভব। সিঙ্গাপুর, ইংল্যান্ডের বিমানবন্দরগুলোতে এধরনের প্রযুক্তির প্রয়োগ দেখা যাচ্ছে। ফলস্বরূপ, সেখানে কেউই যাত্রীদের পাসপোর্ট বা ভিসা চেক করবে না। যাত্রীরা নিজেইরাই কোন একটি যন্ত্রে বারকোড দিয়ে সব করে নিতে পারবে।

এক্ষেত্রে দুবাই সৌন্দর্য বর্ধনের মাধ্যমে প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে কাজ করছে। তারা অ্যাকুরিয়ামের মতো কাচ ঘেরা টানেল তৈরি করার পরিকল্পনা করেছে। এখানে খেলনা মাছের মধ্যে ৮০ টির মতো চেহারা শনাক্তকরণ ক্যামেরা বসানো থাকবে। যাত্রীদের টানেলের মধ্যে দিয়ে ডিপারচার গেটের দিকে যাওয়ার সময় নানা দিক থেকে তাদের ছবি তোলা হবে। সফটওয়্যার ব্যবহার করে ডাটাবেজে থাকা পাসপোর্ট, ভিসা ও অন্য ছবির সাথে সেই ছবি মিলিয়ে নেওয়া হবে। এভাবে কাজ করলে বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ডেস্কের প্রয়োজন হবে না অর্থাৎ পাসপোর্ট স্ক্যান করার প্রয়োজন হবে না বলে আশা করছে প্রযুক্তিবিদরা। বছর শেষে প্রথম টানেলটি বসানো হবে বলে জানা গেছে।

 

মন্তব্য করুন

Top