গ্রামীণফোন ও এটুআই-এর যৌথ উদ্যোগে "উইমেন্স ইনোভেশন ক্যাম্প ২০১৮" - ফিনটেক বাংলা
You are here
Home > অতুলনীয় নারী > গ্রামীণফোন ও এটুআই-এর যৌথ উদ্যোগে “উইমেন্স ইনোভেশন ক্যাম্প ২০১৮”

গ্রামীণফোন ও এটুআই-এর যৌথ উদ্যোগে “উইমেন্স ইনোভেশন ক্যাম্প ২০১৮”

নারী সমতার বিভিন্ন বিষয়ে সহায়তা দানের পাশাপাশি নারী ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে যৌথভাবে উইমেন্স ইনোভেশন ক্যাম্প ২০১৮-এর আয়োজন করতে যাচ্ছে গ্রামীণফোন এবং অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই)। এটুআই বহুদিন ধরেই নারী উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে আসছে। এমনকি; জাতীয় বিভিন্ন সমস্যায় সমাধান নিয়ে আসার ক্ষেত্রে উদ্ভাবনী নারীদের উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম প্রদানে এটুআই, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাথে অংশীদারিত্বে ‘উইমেন্স ইনোভেশন ক্যাম্প’ কর্মসূচি চালু করেছে। তাদের সাথে প্রথমবারের মত যোগ দিয়েছে দেশের অন্যতম মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের তরুণ উদ্ভাবকদের প্ল্যাটফর্ম জিপি হোয়াইট-বোর্ড।

গ্রামীনফোন এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশ করেছে যে সমাজের উল্লেখযোগ্য সব সমস্যা শনাক্ত করা এবং উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এসব সমস্যার সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে কাজ করাই  এ ক্যাম্পের লক্ষ্য। প্রতিযোগিতার চূড়ান্তে পর্বে সম্ভাব্য সবচেয়ে ভালো ধারণা ও সমাধানকে পুরস্কৃত করা হবে এবং এ ধারণাগুলোর সফল বাস্তবায়নে সহায়তা করা হবে।

২০১৬ ও ২০১৭ সালের এ কর্মসূচির সফল সমাপ্তির পর এটুআই এ বছর তৃতীয়বারের মত ‘উইমেন্স ইনোভেশন ক্যাম্প ২০১৮’ আয়োজন করছে। এ আয়োজনে দেশের সকল শ্রেণীর নারী অংশগ্রহণ করতে পারবে। সারাদেশ থেকে সকল নারী আবেদনকারীরা সমস্যা জর্জরিত খাতের ওপর ভিত্তি করে তাদের উদ্ভাবনী ধারণা জমা দিতে পারবেন। সবচেয়ে সম্ভাব্য ও বাস্তবায়নযোগ্য ধারণাগুলো ক্যাম্পের প্রতিযোগিতামূলক পর্বে উন্নীত হবে।

ইতোমধ্যে তরুণ উদ্ভাবকদের জন্য সর্ববৃহৎ প্ল্যাটফর্ম জিপি হোয়াইট-বোর্ড তরুণদের সঠিক প্ল্যাটফর্ম পেতে এবং তাদের উদ্ভাবনকে সামনে নিয়ে যেতে সহায়তা দিয়ে আসছে। এ উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে বৈচিত্রময় সব নারী উদ্ভাবক যারা তাদের উদ্ভাবন ও সুযোগ সন্ধান নিয়ে উদ্যমী। আর এ লক্ষ্যেই, জিপি হোয়াইট-বোর্ড এ উদ্যোগে ‘ইনোভেটিভ এনাবলার’ হিসেবে যুক্ত হয়েছে। গত মে মাসে ‘উইমেন্স ইনোভেশন ক্যাম্প ২০১৮’-  এর জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু হয় এবং তা ৩১ জুলাই পর্যন্ত চলবে। এরপর নির্বাচিত উদ্ভাবকদের দুটি ধাপে নিজেদের ধারণা উপস্থাপন করতে হবে। যেখানে তাদের প্রমাণ করতে হবে যে তাদের ধারণার সামাজিক সমস্যা সমাধানের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে।

ধারণা উপস্থাপন পর্বের পর, দলগুলো একটি বুট ক্যাম্পে যোগ দিবে, যেখানে তাদের চূড়ান্ত ধারণা উপস্থাপন পর্বের প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত করে তোলা হবে। চূড়ান্ত ধারণা উপস্থাপন পর্ব চলাকালীন, দেশের নারীদের মধ্য থেকে সেরা উদ্ভাবক বেরিয়ে আসবে।

দেশের নারী উদ্ভাবকদের জন্য এটা সবচেয়ে বড় উদ্যোগ। এটুআই’র ইনোভেশন স্পেশালিস্ট উপ-সচিব শাহিদা সুলতানা বলেন, “উইমেন্স ইনোভেশন ক্যাম্প’র লক্ষ্য প্রযুক্তিখাতে আরও বেশিসংখ্যক নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং তাদের তাদের অবদানকে দীর্ঘযাত্রায় টেকসই করে তোলা। আমরা অত্যন্ত আশাবাদী যে, হোয়াইট বোর্ডের সাথে আমাদের অংশীদারিত্ব দ্রুত আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে সহায়তা করবে।”

এছাড়াও গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী মাইকেল ফোলি বলেন, “এ উদ্যোগটি একেবারেই অভিনব এবং বেশ বড় পরিসরে হচ্ছে। আমি এ উদ্যোগ নিয়ে বেশ রোমাঞ্চিত। এ উদ্যোগ সম্পূর্ণভাবেই আমাদের সংস্কৃতিবান্ধব এবং নারীর ক্ষমতায়নে আমাদের লক্ষ্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। আমি মনে করি, আমরা এতোদিন উদ্ভাবন নিয়ে যেসব উদ্যোগ গ্রহণ করেছি তার এর মধ্যে এটা সবচেয়ে সম্ভাবনাময়।”

মন্তব্য করুন

Top