লাইফস্টাইল ব্যাংকিং - ফিনটেক বাংলা
You are here
Home > কাভার স্টোরি > লাইফস্টাইল ব্যাংকিং

লাইফস্টাইল ব্যাংকিং

আপনার প্রাত্যহিক জীবনে আপনি কি করে থাকেন সাধারণত ? অফিসে যান কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে যান অথবা শপিং করেন আবার কখনোবা চাইনিজ রেস্তোরাতে গিয়ে পরিবার নিয়ে ডিনার করেন। কিন্তু কখনো কি ভেবেছেন ব্যাংকিং নিয়ে ? ব্যাংকিং ও যে আপনার লাইফস্টাইলের সাথে আঙ্গিকভাবে জড়িয়ে থাকতে পারে, সেটা কখনো ভেবে দেখেছেন? আপনি যদি ব্যাংকিংয়ের ইতিহাসের পাতা উল্টে পাল্টে দেখেন তাহলে দেখবেন কতগুলো গতানুগতিক নিয়ম রীতি ছাড়া আর কিছুই নেই।  টাকা আদান প্রদান, জমা আর ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্যে লোন দেয়াই ছিল ব্যাংকের প্রধান কিছু কাজ। কিন্তু সব কিছু ঝাঁপিয়ে ব্যাংকিং আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে ঢুকে গেছে।  বাইরের দেশ গুলোতে ব্যাংকিং এর পুরো ব্যাপারটাই অনলাইন ভিত্তিক হয়ে থাকে।  এবং সব কিছুই ডিজিটাল পদ্ধতিতে হয়ে থাকে।  আমাদের দেশও এখন পিছিয়ে নেই।  তাইতো ব্যাংকিং বর্তমানে আপনার আমার লাইফস্টাইল এর ‘মিউচুয়াল অঙ্গ’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ব্যাংকিংয়ের ইতিবৃত্তি

সময়ের সাথে কিভাবে ব্যাংকিং বিকশিত হয়েছে ?

শুরুর দিকে, একটি ব্যাংকের কার্যকলাপ ছিল আজকের তুলনায় শুধু একটি কণা মাত্র । সময় যত যেতে থাকে, ব্যাংকের বিস্তার বাড়তে থাকে।  “সুরক্ষিত রাখা” এবং মূল্যবান জিনিসগুলির “সঞ্চয়” ছিল ব্যাংকিং এর ধারণা নিয়ে আসে। পেশা হিসেবেই শুরুর দিকে কিছু মানুষ ব্যাংকিং শুরু করেছিল এবং এভাবেই ব্যাংকের অভ্যুদয় ঘটে। টাকার স্তুপ হতে থাকে, এবং ব্যাংকাররা দুস্থ মানুষদের লোন দিতে থাকে আর এভাবেই একটি ব্যাংকের কাঠামো দাঁড়িয়ে যায়। ব্যাংকগুলো তারপর হুন্ডি করা শুরু করে দেয়। ষোড়শ শতাব্দীতে ব্যাংকগুলো আধুনিকায়ন হতে থাকে। ব্যাংকিং শিল্প কয়েক দশক ধরে নিরুদ্বেগ অবস্থানে ছিল গ্রাহক ব্যবসার কমতি, ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং নিয়ন্ত্রকদের হস্তক্ষেপ না থাকার কারণে। কালক্রমে পরিবর্তন সাধিত হতে থাকে অনেক কিছুর।  প্রযুক্তির প্রবেশ ঘটলো সব জায়গায়। গ্রাহকদের চিন্তাভাবনার পরিবর্তন হলো, এবং গ্রাহকরা এখন সহজেই খুব দ্রুত সেবা পাচ্ছে।

ব্যাংকিং শিল্পের প্রযুক্তিতে প্রবেশ  

অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে, ব্যাংকের ‘প্রযুক্তির পথে’ প্রবেশ না করে উপায় ছিল না। প্রথমেই ব্যাংকের “যেখানেই যেকোনো সময় নিশ্চিত ব্যাংকিং” – এটা নিশ্চিত করতে হবে যেন ব্যাংকগুলোর “আল্ট্রাফাস্ট রেস্পন্স টাইম” এবং উপদেষ্টা সর্বদা থাকতে পারে। সুতরাং ব্যাংকগুলো নিজেদেরকে ৩৬০ ডিগ্রি বিশ্লেষণে রাখবে আকর্ষণীয় গতির সঙ্গে। কালের বিবর্তনে “কাস্টমার টু কাম” এবং “ডোরস্টেপ ব্যাংকিং” – কোনোটাই এখন নেই। প্রকৃতপক্ষে, একটা রাতারাতি পরিবর্তন হয়েছে ব্যাংকিং সেক্টরে প্রযুক্তির অনুপ্রবেশের কারণে।  ব্যাপক আধুনিকায়ন এসেছে। এটিএম কার্ড চালু হয়েছে, মোবাইল এপ্স এসেছে,ইন্টারনেট ব্যাংকিং এবং আরো অনেক কিছুই প্রচলিত হয়েছে।   পরবর্তীতে তাদের কেউই চায় নি সব কিছু গতানুগতিক রীতির মধ্যে থেকে চলুক। তাই তারা নতুন উদ্যোগের দিকে বিশেষ দৃষ্টি আরোপ করে। প্রকৃতপক্ষে অনেক নতুন কিছু গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে পেরেছে এবং রিটেইল ব্যাংকিংও ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।

 

লাভজনক সেবা কি ধরণের হতে পারে ?

ভোক্তাদের ব্যাংকিং অর্থায়ন অনুযায়ী, ব্যাংকগুলি তাদের গ্রাহকদের জন্য আকর্ষণীয় সঞ্চয় প্রকল্পগুলি যেমন আপনার অর্থ, সাশ্রয়ী মূল্যের দীর্ঘমেয়াদী হোম ঋণ, গাড়ি ঋণ, পরিবারের পণ্যগুলির জন্য সহজ ইএমআই, যেমন টেলিভিশন, রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার ইত্যাদি প্রদান করছে। শিক্ষা ঋণ, পর্যটন এবং ছুটির প্যাকেজ, বিবাহের জন্য অর্থ, ঔষধ এবং স্বাস্থ্যসেবা ঋণ, কর্মক্ষেত্রে বিদেশে যাওয়া – এই খাতটি অর্থ প্রদানের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে । বেশিরভাগ ভোক্তাদের জন্য ট্যাক্স পেমেন্ট একটি বিরক্তিকর বিষয়। সুতরাং, ব্যাংক উপযুক্তভাবে এটি পরিচালনা করার ব্যবস্থা তৈরি করে। যদি আপনি আরও বেশি আয় করতে চান তবে ব্যাংক আপনার কাছ থেকে বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ উত্তোলন করতে সহায়তা করে যেমন  Uber / Amazon ইত্যাদি । এখন স্মার্ট ক্রয় / বিক্রয়ের জন্য আপনার মোবাইল ওয়ালেট রয়েছে। ব্যাংক পাসপোর্ট পেমেন্ট এবং বিআরটিএ ফী প্রদানের প্রয়োজন মেটানোর জন্য এগিয়ে গেছে। মোবাইল টপ আপ, ইউটিলিটি পেমেন্ট, ক্রেডিট কার্ড, ইমি, ওয়াসা, বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট, ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক, ডে কেয়ার সেন্টার, টেলিফোন (টি ও টি), টিউশন ফি সবই সহজ হয়ে গিয়েছে  এবং আমাদের ব্যাঙ্কগুলি সম্পূর্ণ ওমনি-চ্যানেলের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে । ই-কমার্স, এফ-কমার্স, এম-কমার্সের মাধ্যমে সহজেই টাকা পয়সার লেনদেন করা সম্ভব হচ্ছে যেটা একটা সময়ে অকল্পনীয় ছিল।  ভোক্তারা উপার্জন করতে পারে, এবং ব্যাংকগুলো তাদেরকে তাদের উপার্জন বাড়াতে সহযোগিতা করতে পারে। যদি তারা সঞ্চয় করে, ব্যাংক তাদের সেবা প্রদানে যথেষ্ট ভূমিকাও রাখতে পারে।  প্রকৃতপক্ষে, পরবর্তী প্রজন্মের ব্যাংকগুলি গ্রাহকের আধুনিক জীবনের প্রতিটি দিককে অন্তর্ভুক্ত করবে। এটি একটি লাভজনক এবং পাশাপাশি একটি ব্যাংকের জন্য আরও কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হবে।

ইন্টারনেট প্রযুক্তি বা মোবাইল প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যাংকগুলো সর্বদাই উপস্থিত থাকছে এখন গ্রাহকদের সেবা প্রদানের জন্য।

লাইফস্টাইল ব্যাংকিং কতদূর যেতে পারে ?

এখন পর্যন্ত,  গ্রাহকদের জন্য ব্যাংকগুলো পণ্য নির্ধারণ করছে, কিন্তু পরবর্তী প্রজন্মের গ্রাহকরা নিজেদের সিদ্ধান্ত নিজেরাই নিতে পারবেন। তারা কতটা সঞ্চয় বা কতটা ব্যয় করবেন, কোনটি গ্রহণ করতে হবে বা গ্রহণ করতে হবে না  তা নিয়ে তারা সিদ্ধান্ত নেবে। তাদের ব্যাংকের দেওয়া ব্যক্তিগত পোর্টালগুলির অ্যাক্সেস থাকবে যেখানে তাদের সমস্ত আর্থিক সুযোগের অ্যাক্সেস থাকবে। গ্রাহকরা তাদের নিজস্ব পোর্টফোলিওর ম্যানেজার হতে পারবেন। এই পোর্টালগুলি গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টের পরিমাণ দেখাবে যা সঞ্চয়, ঋণ, বীমা, স্টক ও অন্যান্য গ্রাহকদের উপস্থাপন করবে।  একজন গ্রাহক নিজের পোর্টফোলিও নিয়ন্ত্রণ করবেন। ক্রেডিট, সময় বা বীমা কতখানি পেতে পারে তা গ্রাহকের জন্য ব্যাংক একটি লাইন / সীমানা তৈরি করবে। বেশিরভাগ দিনের জন্য  আজকাল গ্রাহক সংযুক্ত হচ্ছে।

স্মার্টফোন ব্যবহার করে যে কেউ এখন ফুডপান্ডা থেকে খাবার অর্ডার করতে পারেন এবং মোবাইলের মাধ্যমেই পেমেন্ট ও করতে সক্ষম হচ্ছে।  বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের সর্বশেষ আপডেটগুলিও মোবাইল টিভি ব্যবহার করে মানুষ দেখতে পাচ্ছে  অথবা শুধু ‘ইএসপিএন ক্রিকইনফো’ -এ ক্লিক করে আপনি সরাসরি উপভোগ করতে পারছেন।

আপনি যখন কর্মক্ষেত্রে আপনার কম্পিউটার বন্ধ করেন, তখন আপনি সপ্তাহান্তের জন্য আপনার বন্ধুদের পরিকল্পনাগুলির উপর নজর রাখার জন্য ট্যাবলেট খুলে বসতে পারেন। আপনাকে ডেস্কটপে বসে থাকতে হবে – এমন কথা হাস্যকর শোনায় এখন। এমনকি আপনি আপনার ফিটনেস মনিটর করতে পারছেন হেলথ অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের মাধ্যমে। ঠিক তেমনি, ব্যাঙ্কিং পরিষেবাটি স্পষ্ট করে তুলেছে যাতে এটি আপনার ব্যস্ত, ডিজিটাল লাইনে সঠিকভাবে সহজেই কাজ সম্পাদন হতে পারে।

ধরুন, আপনি একটা স্মার্টফোন কিনতে চাইছেন যেটা বিক্রি হয়ে গেছে কিন্তু আপনার আজকেই প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। আপনি সেটা কিনতে পারছেন না ঠিকই, কিন্তু আপনি সব ডিটেইলস পেতে পারেন একই ধরণের প্রোডাক্টের উপর।  তবে তার আগে আপনার একাউন্ট চেক করে নিতে হবে যে আপনার ব্যালেন্স আছে কিনা।  আবার ধরুন, আপনি চট্টগ্রামে বেড়াতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আপনার কলিগের বিয়ের অনুষ্ঠান উপলক্ষে।  সুতরাং আপনার গিফট দেয়ার একটা ব্যাপার থাকেই। আপনি আপনার এক বন্ধুকে বললেন, গিফট নিয়ে আস্তে, টাকাটা আপনি পরে শোধ করবেন। কিন্তু আপনার বন্ধু যেদিন টাকা নেয়ার কথা সেদিন উপস্থিত থাকতে পারে নি। তখন আপনি কি করেন? যদি আপনার মোবাইলে ব্যালান্স ট্রান্সফার করার পদ্ধতি জানা থাকে তাহলে সহজেই আপনি টাকাটা দিয়ে দিতে পারছেন মুহূর্তের মধ্যেও।  অর্থাৎ মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে আপনি টাকা লেনদেন করতে পারছেন।  সুতরাং, গ্রাহকের জীবনধারার বিশ্লেষণ ব্যবহার করে, ব্যাংক গ্রাহককে বেছে নিতে পারে এবং সেগুলি কি চায় সেটি বেছে নিতে পারে এবং এই পছন্দগুলির উপর ভিত্তি করে, তারা উৎসাহ, ডিসকাউন্ট বা পুরস্কার প্রদান করতে পারে। ব্যাংকগুলি গ্রাহকের সামাজিক-অর্থনৈতিক অবস্থান, আচরণ, লেনদেনের ইতিহাস এবং বিশদ বিশ্লেষণ করবে । প্রকৃতপক্ষে লাইফস্টাইল ব্যাংকিং এর পরিধি অনেক বেশি, প্রযুক্তির কল্যানে ব্যাংকিং লাইফস্টাইলের পথ অনেক দূর বলা যায়।

পণ্যের বান্ডেলকরণ: পণ্যের আকর্ষণীয় অফার

পণ্যের বান্ডেলকরণ কি সেটা জানার আগে জেনে নেয়া যাক, ‘ভ্যালু মিল’ জিনিসটা কি? সহজ অর্থে, মেনু থেকে বিভিন্ন আইটেমের সংমিশ্রনে ছাড় দেয়ার নামই ভ্যালু মিল। সাধারণত কাস্টমাররা আকর্ষণীয় পণ্যের মূল্য ছাড় দেখে বেশ আগ্রহী হয়ে ওঠে এবং স্বল্প মূল্যে একাধিক পণ্য ক্রয় করার বিষয়টাকেই প্রাধান্য দেয় বেশি।  একইভাবে, ব্যাংক তাদের গ্রাহকদের জন্য কিছু ধরণের উৎসাহ প্রদান করে পণ্যের একটি প্যাকেজ প্রদান করে থাকে; যেখানে নামমাত্র মূল্য থাকে । বান্ডেলের মধ্যে পণ্য বা পরিষেবার প্রতিটি প্রয়োগের উপর ভিত্তি করে মান পরিবর্তন করা উচিত। সহজভাবে, “আপনি যত ব্যাংক নির্ভর হবেন, আপনি তত ভ্যালু পাবেন” । ব্যাংকগুলো ক্যাবল সংযোগ এবং ইন্টারনেট সেবাগুলির সাথে লাইফস্টাইল বান্ডেলও উদ্ভাবন  করতে পারে গাড়ীর ঋণ এবং তার বীমা ব্যবস্থার সাহচর্যে।

পাশাপাশি, গ্রাহকরা তাদের অভিজ্ঞতার পরিবর্তন করে তথ্য ভিত্তিক উপযুক্ত পণ্য এবং পরিষেবা প্রদানের অনুমতি দিয়ে  তাদের শেয়ার বাড়াতে পারেন এবং  অতিরিক্ত রাজস্ব আয় করে কাজে লাগাতে পারেন। তাছাড়া ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন এবং ডিসরাপশানের কারণে  গ্রাহকদের প্রবণতার ও পরিবর্তন হয়েছে। লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে তাদের এখন বিল দেয়ার প্রয়োজন হয় না। এমনকি মোবাইলে রিচার্জ করার জন্যও কোনো ফেলিক্সিলোড এর এজেন্টদের কাছে যাওয়ার দরকার হয় না।  কারণ, ডিজিটাল এর এই যুগে তারা সব সেবা পাচ্ছে অনলাইনে, ইন্টারনেটে।  সুতরাং, পরিষেবার গুণমান এবং পেমেন্টের সহজলভ্যতা গ্রাহকদের জন্য নতুন পেমেন্ট মাধ্যম তৈরী করে দিয়েছে। যার মানে, পুরোনো ব্যাংকিং স্টাইল পরিবর্তিত হয়ে নতুন দিগন্তের উন্মোচন করা হয়েছে ‘টেকনোলজি ডিজরাপশান’ এর কারণে। মোবাইল ব্যাংকিং/ ইন্টারনেট ‘অমনি-চ্যানেল ডেলিভারি’-র প্রবৃদ্ধির চাবিকাঠি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ডিজিটাল রূপান্তর এখন একটি বিকল্পের পরিবর্তে  প্রয়োজনীয়তা হয়ে উঠেছে এবং এটি  ভোক্তা আচরণ বা তাদের পছন্দগুলির সাথে ডিজিটাল সম্পর্ক স্থাপন করে দিচ্ছে।

প্রকৃত অর্থে, ফিনটেক ডিজরাপশানও ব্যাঙ্কগুলির ক্ষেত্রে হুমকি স্বরূপ হয়ে উঠেছে।  বিশেষ করে অনেক ব্র্যাঞ্চ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকছে টেকনোলজির উন্নয়নের জন্য। তবে গ্রাহকদের সুবিধার কথা চিন্তা করে, ব্যাংকগুলোও কিন্তু পিছিয়ে নেই।  তারা নতুন করে গঠন প্রণালীর পরিবর্তন আনছে, টেকনোলজি এবং গ্রাহকদের লাইফস্টাইল অনুযায়ী ব্যাংক গুলোও বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিচ্ছে।

মন্তব্য করুন

Top