ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৭:বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রদর্শনী - ফিনটেক বাংলা
You are here
Home > কাভার স্টোরি > ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৭:বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রদর্শনী

ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৭:বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রদর্শনী

ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৭ তথ্য ও প্রযুক্তির জন্য একটি সাফল্য ছিল।ওখানকার লোক সমাগম, মানুষের আগ্রহ, বিভিন্ন প্রদর্শনী ইত্যাদি থেকেই বোঝা যাচ্ছিল ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৭ কতটা সফল হয়েছে।তৃতীয় ও চতুর্থ দিনে বঙ্গবন্ধু ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে (বিআইসিসি)মানুষ একে অপরকে বলেছে যে এখানে বাণিজ্য মেলা থেকেও বেশি ভিড় হয়েছে।সত্যিই ২০১৭ এর আইসিটি প্রদর্শনীতে বাণিজ্য মেলার চেয়েও বেশি লোক সমাগম হয়েছে।এখন এক ছাদের নিচে বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উভয়কেই প্রদর্শন করার মাধ্যমে তরুণদের আকৃষ্ট করতে বাংলাদেশ সক্ষম হয়েছে।বাংলাদেশ এখন এমন একটি সময়ে পৌঁছে গেছে যেখানে তার বিশাল জনসম্পদ নিকটবর্তী ভবিষ্যতে দেশের বিভিন্ন লভ্যাংশের জন্য কাজ করবে।এগুলোর মধ্যে একটি উত্তম ব্যাপার হল আমাদের তরুণ সমাজ নতুন নতুন প্রযুক্তির সাথে পরিচিত হচ্ছে এবং প্রযুক্তির উন্নতি সাধন করার যথাসাধ্য চেষ্টা করছে।আর ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের মত ইভেন্ট আগ্রহীদের নতুন কিছু জানানো ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা উপস্থাপনের জন্য একটি বিশাল মাধ্যম।সুতরাং চার দিনব্যাপী দীর্ঘ এই অনুষ্ঠানটি অবশ্যইআগ্রহী যুবসমাজ এবং প্রযুক্তিবিধদের জন্য একটি দারুন অর্জন ছিল।

বিশেষ আকর্ষণ সোফিয়া

ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৭ এর মূল আকর্ষণই ছিল হিউম্যানয়েড রোবট সোফিয়া।মানুষের শরীরের অনুরূপে তৈরি রোবটকে হিউম্যানয়েডরোবট বলা হয়।হংকং-ভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবোটিক্স লিমিটেড সোফিয়াকেভাব প্রকাশের ক্ষমতা, প্রানবন্ততা, ইন্টারঅ্যাক্টিভিটি বৈশিষ্ট্যগুলি দিয়ে তৈরি করেছে।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে সোফিয়াকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে সে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিপুল জনসভায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।উদ্বোধনী বক্তব্যের শেষে আয়োজকরা সোফিয়াকে মঞ্চে আমন্ত্রণ জানায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে দেখা করা জন্য।তারপর হলুদ-সাদার সংমিশ্রণের একটি টপ-স্কার্ট পরিধান করে সোফিয়া মঞ্চে আসলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাকে বলেন “হ্যালো সোফিয়া, কেমন আছেন?”তখন উত্তরে সোফিয়া বলে, “হ্যালো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।আপনার সাথে দেখা করতে পেরে আমি গর্ববোধ করছি।”তারপর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সোফিয়াকে জিজ্ঞাসা করেন যে সোফিয়া তাঁর (মাননীয় প্রধানমন্ত্রী) সম্পর্কে জানে কিনা।জবাবে সোফিয়া বলে যে সে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ সম্পর্কে অনেক কিছুই জানে। আরো বলে, “আমি জানি আপনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা। আপনি মানবতার জন্য বিশ্বে মানবতার মা হিসেবেও খ্যাতি অর্জন করেছেন এবং আপনি ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন করছেন।”এছাড়াও সোফিয়া জানে যে প্রধানমন্ত্রীর নাতনীর নামও সোফিয়া।তখন প্রধানমন্ত্রী বলেন যে হ্যাঁ, জয়ের (প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও আইসিটি উপদেষ্টা) মেয়ের নাম সোফিয়া।

এরপর প্রধানমন্ত্রী সোফিয়াকে বাংলাদেশের পরিকল্পনা সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন করেন এবং সোফিয়া স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগুলোর উত্তর দেয়।

অস্কার বিজয়ীর উপস্থিতি

আরো একটি ইভেন্ট যা এই বছরের সংস্করণে বেশ গুঞ্জনেরসৃষ্টি করেছে।নাফিস বিন জাফর, বাংলাদেশের একজন অস্কার বিজয়ী যিনি হলিউডের চলচ্চিত্রে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করার পাশাপাশি অনেক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।সেই সাথে বিশ্বের সেরা চলচ্চিত্র শিল্পে একটি সম্মানজনক অবস্থান অর্জন করেছেন।অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিন নাফিস বিন জাফর হলিউডে তার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বলেন।আর এটিও বলেন যে অ্যানিমেশন এবং সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে কর্মজীবন গড়ে তোলার সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে সহজ ধারণাগুলি দিয়ে শুরু করা।নাফিস বিন জাফর ২০০৮ সালে ডিজিটাল ফ্লুইড ইফেক্টের অগ্রগতির জন্য বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি বিভাগে একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন, যা বর্তমানে ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

“আপনাকে শুরুতেই বড় কিছু দিয়ে শুরু করতে হবে না।সহজ ও ছোট কাজ দিয়ে শুরু করুন।আপনি শর্টফিল্ম অথবা টেলিভিশন শো-এর জন্য কাজ করতে পারেন।এমনকি আপনি থিয়েটারেও কাজ করতে পারেন। অভিনয়, ডিজাইন, লিখালিখি ছাড়াও আপনি থিয়েটারে অনেক ধরনের কাজ করতে পারেন।”

তিনি বলেন, “আমার বাংলাদেশ থেকে হলিউডের যাত্রা শুর হয় ইউএস-এর দক্ষিন ক্যারোলিনায় অবস্থিত কলেজ অব চার্লস্‌টনে প্রোগ্রামিং এর মাধ্যমে।”স্নাতক শেষে তিনি ডিজিটাল ডোমেন নামে একটি প্রতিষ্ঠানে যোগদান করেন যেখানে তিনি “ফ্লুইড অ্যানিমেশন” তৈরি করেন যা হলিউডের “পাইরেটস্‌ অব দ্য ক্যারাবিয়ান” চলচ্চিত্রে ব্যবহৃত হয়েছে।বিগত ১৭ বছরে নাফিস ২০১২, ট্রান্সফরমার ২, কুং ফু পাণ্ডা ৩ সহ বেশকিছু চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন।ড্রপ লার্জ-স্কেলডেসট্রাকশন সিমুলেশন পদ্ধতির উন্নয়নের জন্য ২০১৫ সালে তিনি আরো একটি একাডেমী পুরষ্কার পান।

সভায় তিনি আরো বলেন “দিন শেষে, অ্যানিমেশন একটি কম্পিউটার প্রোগ্রামিং কিন্তু এর জন্য অনেক সৃজনশীলতা এবং কঠোর পরিশ্রমের প্রয়োজন।আমি নিজেও অনেক পরিশ্রম করেছি।আমি শিল্প এবং গণিতকে একত্রে মিশ্রিত করতে পারি এবং এটি আমার প্রতিভা।”

তিনি প্রোগ্রামারদের উদ্দেশ্যে বলেন যে অন্যের কাজের অনুকরণ করবেন না।কঠোর পরিশ্রম ছাড়া সফলতা অর্জন করা যায় না।

বাংলাদেশে বিটকয়েনের সম্ভাব্যতা

ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৭ এর আরেকটি সেশনেবাংলাদেশে বিটকয়েনের মত ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলোকে প্রবর্তন করার সম্ভাবনার কথা আলোচনা করা হয়েছে।“বাংলাদেশে ডিজিটাল মুদ্রার সম্ভাব্যতা এবং চ্যালেঞ্জ” নামক সভায় বিভিন্ন বক্তারা বাংলাদেশে ডিজিটাল মুদ্রার অনুপ্রবেশ তরান্বিত করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পাশাপাশি অন্যান্য সরকারী-বেসরকারী সংস্থার সমন্বয়ে একটি আন্তঃচালিত প্ল্যাটফর্ম গঠন করার বিষয়ে কথা বলেছেন।তাঁরা আরো বলেন যে ডিজিটাল মুদ্রা সম্পূর্ণভাবে চালু করার আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ই-ওয়ালেট সিস্টেম এবং ইজিয়ার ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) সিস্টেমের উন্নতিতে আরও মনোযোগ দিতে চায়।বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী বলেন যে ২০১৮  সালের মার্চ মাসের মধ্যে একটি একাউন্ট থেকে একদিনে একটির পরিবর্তে চারটি ইজিয়ার ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফএফস) করা সম্ভব হবে।তিনি আরো বলেন যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রযুক্তির ব্যবহারের বিরুদ্ধে নয়কিন্তু আগে জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করতে হবে।কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্বারা ক্রিপ্টোকারেন্সি ইস্যুকরণের ভাল এবং মন্দ উভয় দিক নিয়ে আরো অনেক বেশি গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।আমরা এই বিষয়ে গভীরভাবে চিন্তা করছি।

ক্রিপ্টোকারেন্সিএকটি ডিজিটাল মুদ্রা যা একটি স্ব-নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অনুসরণ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে।বিটকয়েন ২০০৯ সালে তৈরি প্রথম বিকেন্দ্রীভূত ক্রিপ্টোকারেন্সি।তখন থেকে অসংখ্য ক্রিপ্টোকারেন্সি তৈরি করা হয়েছে।

বহির্বিশ্ব যেমন নগদবিহীন অর্থনীতিতে কাজ করছে সেভাবে বাংলাদেশও ডিজিটাল মুদ্রার দ্বারা তার ভিশন সম্পন্ন করতে সক্ষম হবে।

নতুন কিছু স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে একে অপরের কাছে আসা

অনুষ্ঠানের চতুর্থ দিনে সর্বমোট ৪৭ জন ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন সংস্থা পুরস্কৃত হয় তাদের তথ্য ও প্রযুক্তি সংক্রান্ত উদ্ভাবন, উদ্ভাবনী ধারণার জন্য।অনুষ্ঠানের শেষ অংশের বক্তৃতায় দেশের অর্থমন্ত্রী এএমএ মুহিত বলেন যে দেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য বাংলাদেশ ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে পৌঁছতে সক্ষম হয়েছে।তিনি আশা করেন যে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে বাংলাদেশ ২০১৮ তে বাংলাদেশ নিজেই সোফিয়ার মত হিউম্যানয়েড রোবট তৈরি করে প্রদর্শন করতে সক্ষম হবে।আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, যিনি সমাপনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন;তিনি বলেন যেশীঘ্রই বাংলাদেশ আইটি হার্ডওয়্যার-রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হবে।তিনি আরো বলেন যে সরকার এখন দেশের ২৮ টি আইটি পার্ক স্থাপন করছে, যা ২০২১ সালের মধ্যে তিন লাখ তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করবে।এছাড়াও তারা আইটি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং অন্যান্য সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে আইটি সেক্টরে বিশ লাখ তরুণের চাকরি ক্ষেত্র তৈরি করতে কাজ করছেবলে অবগত করেন।ভুটানের তথ্য ও যোগাযোগমন্ত্রী লায়নপো দীনা নাথ ধাঙ্গিয়েল বলেন“আমাদের দেশ অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে একটি স্মার্ট দেশ হিসেবে দেখতে চায়।এখন বাংলাদেশের মানুষ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন ডিজিটাল বাংলাদেশ সম্পর্কে কথা বলে।কিন্তু আমি চাই পাঁচ থেকে দশ বছরে বাংলাদেশ যেন ডিজিটাল হওয়ার পাশাপাশি একটি স্মার্ট দেশ হিসেবে পরিচিতি পায়।”

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এর সভাপতি মোস্তফা জব্বার বলেন “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের আইটি খাতকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।দেশের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা ডিজিটাল যুগের সাথে সুসঙ্গতিপূর্ণ নয়।উচ্চ শিক্ষায় পাঠ্যক্রম পরিবর্তনই যথেষ্ট নয়। আমাদের এখন প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার পাঠক্রম পরিবর্তন করতে হবে।”

তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন “এখনো আমাদের ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য ১৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ৫ শতাংশ সারচার্জ দিতে হয়।”বেসিসের সভাপতি স্থানীয় সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানসমূহের বৃদ্ধি ও স্থানীয় পণ্যের উন্নয়নের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

আইসিটি বিভাগের সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী বলেন, “এই বছর আইটি প্রদর্শনীর মোট দর্শকদের সংখ্যা এই বছর পাঁচ লাখেরও বেশি। শুধু তাই নয় ঊনিশ লাখেরও বেশি মানুষ এই প্রদর্শনী সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভ প্রোগ্রাম লাইভ দেখেছেন। এটি ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৭ এর অনেক বড় সার্থকতা।”

এছাড়াও ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৭ তে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রদর্শনী সবার নজর কেড়েছে।তাদের মধ্যে

ই-গভর্নেন্স এক্সপোঃ

এই এক্সপো বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং অন্যান্য সরকারী প্রতিষ্ঠানের সেবা এবং পণ্যগুলোর প্রদর্শনকরেছে।এখানে দর্শকরা বিভিন্ন সেবা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ এবং এই সেবাগুলো কিভাবে জনসাধারণের কাছে পোঁছাবে তা জানতে এসেছে।

সফটওয়্যার প্রদর্শনীঃ

যেহেতু এটি তথ্য ও প্রযুক্তি মেলা ছিল সুতরাং বিভিন্ন সফটওয়্যারপ্রতিষ্ঠান এখানে তাদের ভিন্ন ভিন্ন পণ্য, নতুন কিছু সৃজনশীল ধারনা, কিছু অদূর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ডেমো আকারে প্রদর্শন করেছে।কেননা;সৃজনশীল মনোভাব, দৃষ্টিভঙ্গি বিনিময়ের জন্য এটি একটি উত্তম পন্থাআমাদের সমাজ, অর্থনীতি এবং ব্যবসাকেআরো অগ্রসর করার জন্য তথ্য ও প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

মোবাইল ইনোভেশনএক্সপোঃ

এটি একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানেবিশ্বজুড়ে এবং বাংলাদেশ থেকে মানুষ অনেক মানুষ মোবাইল সম্পর্কিত বিভিন্ন ক্ষেত্রের মধ্যে তাদের নতুনত্বপ্রদর্শন করেছিল।যেমনঃ বিভিন্ন অ্যাপস্‌, মোবাইল গেমিং, হোম অটোমেশন ইত্যাদি।

মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনঃ

পুরো অনুষ্ঠানের চতুর্থ দিনে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়ছিল।“চতুর্থ শিল্পোন্নত বিপ্লব (4 ইআর)” অর্থাৎ,আধুনিক সভ্যতার বিপ্লবী পরিবর্তনের দিকে পরিচালিত আইসিটি নেতৃত্বাধীন অগ্রগতির ধারণাকে আলোচ্য বিষয় হিসেবে মন্ত্রী পরিষদ বেছে নিয়েছিলেন।

বাংলাদেশী পণ্য প্রদর্শনীঃ

এখানে বাংলাদেশের স্থানীয় কিছু পণ্য ও সেবার প্রদর্শনী হয়েছে।এছাড়াও ভবিষ্যতে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য বাংলাদেশ কীভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং বাংলাদেশে তৈরিকৃত পণ্যগুলো কিভাবে সাধারন মানুষের কাছে পৌঁছান হবে এসব বিষয়ে দর্শকদের অবগত করা হয়েছে।

স্টার্টআপ বাংলাদেশঃ

এই প্লাটফর্মে বিভিন্ন নতুন নতুন সংস্থা নানারকম নতুন ধারনা এবং প্রোটোটাইপের প্রদর্শন করেছে।বিনিয়োগকারী এবং শিল্পপতিদের সামনে নিজেদের ধারনা তুলে ধরার জন্য এটি অন্যতম মাধ্যম ছিল।উপরন্তু তারা স্টকহোল্ডারের সাথে দেখা করার সুযোগপাওয়ার সাথে সাথে তাদের ব্যবসা কিভাবে বৃদ্ধি করা যায় সে সম্বন্ধেও ধারনা নিতে সক্ষম হয়েছে।

 

 

মূল গল্প: ফয়সাল মাহমুদ
অনুবাদ: অনন্য রাজ্জাক

মন্তব্য করুন

Top